West Bengal board of secondary education (class 10) life science (জীবন বিজ্ঞান) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সালোকসংশ্লেষ ও শোষণ থেকে নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনা করা হলো এই অধ্যায় থেকে পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্ন আসে এছাড়াও পরবর্তী যে কোন COMPETITIVE EXAM এর জন্য এই অধ্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের ও পাঠ গ্রহণে আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সহজ সরল ভাষায় আলোচনা করা হলো।
⭐সালোকসংশ্লেষ এবং শ্বসন⭐
🟥 Most important question and answer⭐⭐
💥 সালোকসংশ্লেষে কার্বন-ডাই-অক্সাইড জলের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপন্ন করে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন।
💥 সালোকসংশ্লেষে অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা পালন করে ক্লোরোফিল।
💥 পাতার মেসোফিল কলার ক্লোরোফিল যুক্ত অংশে সালোকসংশ্লেষ সংঘটিত হয়।
💥 ক্লোরোপ্লাস্ট হলো সালোকসংশ্লেষের প্রধান অঙ্গানু।
💥 সালোকসংশ্লেষের সক্ষম জীব হল সবুজ উদ্ভিদ।
💥 সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন প্রথম জৈব বস্তু হল PGA(ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড)।
💥 সালোকসংশ্লেষের সক্ষম প্রাণী হল ইউগ্লিনা।
💥 সালোকসংশ্লেষে অক্ষম উদ্ভিদ হল স্বর্ণলতা এবং সমস্ত ছত্রাক।
💥 সালোকসংশ্লেষে ক্যালভিন চক্রে গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়।
💥 সালোকসংশ্লেষের হার সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায় ক্লোরেল্লা নামক সামুদ্রিক শৈবালে।
💥 সালোকসংশ্লেষের দুটি দশা হল
(১) আলোক দশা
(২) অন্ধকার দশা
💥 সালোকসংশ্লেষ ও শ্বসনের হার সমান হয় ভোরবেলা এবং গোধূলির সময়।
💥 ২৫ থেকে ৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষ ভালো হয়।
💥 কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এই তিনটি হলো গ্লুকোজের প্রাথমিক উপাদান।
💥 উদ্ভিদের শক্তির চূড়ান্ত উৎস হলো সূর্যের আলো।
💥NADP ও ADP এই দুটি উৎসেচক সালোকসংশ্লেষে অংশগ্রহণ করে।
💥ATP হল এনার্জি কারেন্সি।
💥 পাতার সবুজ বর্ণ ক্লোরোফিলের জন্যই হয়।
💥 সবুজ রঞ্জক যুক্ত প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট।
💥 সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন অক্সিজেনের পরিমাণ এবং গৃহীত কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ হলো সমান।
💥 সালোকসংশ্লেষের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস হল কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
💥 প্রধান শ্বসন বস্তু হলো গ্লুকোজ।
💥 শ্বসনকালে অক্সিজেন পরিবহনকারী রঞ্জক হলো হিমোসায়ানিন।
💥 শ্বসন প্রধানত দুই প্রকার (১) অবাত শ্বসন
(২) সবাত শ্বসন
💥 ইস্ট বায়ুশূন্য স্থানে শ্বাসনকার্য চালাতে পারে।
💥 অ্যামিবা, হাইড্রা এবং স্পঞ্চ প্রভৃতি প্রাণী তাদের দেহ দল দিয়ে শ্বাসনকার্য চালায়।
💥ফুসফুসে আবৃত পর্দার নাম হলো প্লুরা।
💥 ফুসফুস হল মানুষের প্রধান শ্বাসঅঙ্গ।
💥ক্রেবস চক্রে বাধার সৃষ্টি করে মেলোনেট।
💥 মানুষের ফুসফুসের বাম ফুসফুস দুটি খন্ডযুক্ত এবং ডান ফুসফুস তিনটি খন্ড যুক্ত।
💥 ফুসফুসের সঙ্গে পায়রার নয়টি বায়ু থলি থাকে।
💥 ব্যাঙাচির শ্বাসযন্ত্র প্রধানত বহিঃ ফুলকা।
💥 ফুলকা হল মাছের শ্বাস অঙ্গ।
💥 বুকগিল বা বই ফুলকা হলো চিংড়ির শ্বসঅঙ্গ।
💥 অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র থাকে কই, মাগুর, শিঙ্গি ইত্যাদি জিওল মাছের।
💥 সন্ধিপদী পতঙ্গ বলা হয় আরশোলা প্রজাপতি ফড়িং ইত্যাদি পতঙ্গ কে।
💥 সন্ধিপদী পতঙ্গদের শ্বাসনালী বা ট্টাক্রিয়া দশ জোড়া শ্বাস ছিদ্রের মাধ্যমে শ্বাসনকার্য চালনা করেই।
💥 শামুক ও ঝিনুকের শ্বাসঙ্গ হল ফুলকা।
💥 উদ্ভিদ যে পদ্ধতিতে গ্লুকোজ তৈরি করে তা হলো সালোকসংশ্লেষ।
💥 ক্লোরোফিল এর মধ্য যে খনিজ পদার্থটি থাকে তা হল - Mg
💥 সালোকসংশ্লেষ ও শ্বসন দুটি হল বিপাকীয় পদ্ধতি।
💥 সালোকসংশ্লেষ শব্দের প্রবক্তা হলেন বিজ্ঞানী বার্নেস।
💥 অবাত শ্বসন লক্ষ্য করা যায় টিনিয়া সেলিয়াম নামক প্রাণীদেহে।
💥 অ্যামিবা তার শ্বসনকার্য চালায় দেহতলের সাহায্য।।
